জেনে রাখুন

বন্যায় নিরাপদ থাকুন

বন্যায় সবচেয়ে বড় বিপদ পানিতে ডুবে যাওয়া, বিশেষ করে শিশুদের। এরপর বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া, সাপের কামড় আর দূষিত পানির অসুখ।

খরচআশ্রয়কেন্দ্র ও সরকারি ত্রাণ বিনামূল্যে
কোথায়নিকটতম আশ্রয়কেন্দ্র; উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় (ত্রাণ)

কেন সাবধান হবেন

২০২৬ সালের জুলাইয়ের বন্যায় বাঁশখালীতে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়েছিলেন, পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছিল। বাংলাদেশে শিশুমৃত্যুর বড় একটি কারণ পানিতে ডুবে যাওয়া।

বর্ষার আগে

  • জরুরি কাগজপত্র প্লাস্টিকের ব্যাগে মুড়ে উঁচু জায়গায় রাখুন
  • শুকনো খাবার, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, খাবার স্যালাইন মজুত রাখুন
  • নিকটতম আশ্রয়কেন্দ্র বা উঁচু রাস্তা কোথায়, পরিবারের সবাইকে চিনিয়ে রাখুন
  • নলকূপের মুখ উঁচু করে রাখুন

পানি উঠলে

  1. শিশুদের চোখের আড়াল করবেন না। পানির কাছে একা ছাড়বেন না; সম্ভব হলে বড় কেউ সবসময় সঙ্গে থাকুন।
  2. স্রোতের পানিতে হাঁটবেন না, গাড়ি বা মোটরসাইকেল চালাবেন না। হাঁটুসমান স্রোতও মানুষকে ভাসিয়ে নিতে পারে।
  3. বিদ্যুতের মূল সুইচ বন্ধ করুন। ঝুলে থাকা বা পানিতে পড়া তার থেকে দূরে থাকুন।
  4. সাপ থেকে সাবধান। সাপ উঁচু শুকনো জায়গায় ওঠে; অন্ধকারে টর্চ ব্যবহার করুন। কামড়ালে দেখুন সাপে কাটলে গাইড।
  5. গবাদিপশু উঁচু জায়গায় নিন।

পানি নামার পর

  • শুধু ফোটানো বা বিশুদ্ধ করা পানি পান করুন। ডায়রিয়া হলে খাবার স্যালাইন খান; রক্ত গেলে বা দুর্বল হলে দ্রুত হাসপাতালে যান।
  • নলকূপের পানি পরীক্ষা না করে খাবেন না; প্রয়োজনে ব্লিচিং পাউডার দিয়ে পরিষ্কার করুন।
  • পানিতে ভেজা খাবার ফেলে দিন।
  • ঘরে ফেরার আগে দেয়াল ও খুঁটি শক্ত আছে কি না দেখে নিন।

সাহায্য

  • জাতীয় জরুরি সেবা: ৯৯৯
  • ত্রাণ ও আশ্রয়: ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসন (নম্বর সেবা › অফিস পাতায়)

শেষ হালনাগাদ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬

ফি বা নিয়ম বদলে গেলে আমাদের ফেসবুক পেজে জানান। আমরা যাচাই করে ঠিক করে দেব।