জেনে রাখুন
পল্লী বিদ্যুতের নতুন সংযোগ
বাড়িতে নতুন মিটার নিতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে আবেদন করতে হয়। লাইসেন্সধারী ইলেকট্রিশিয়ানের ওয়্যারিং আর পরিদর্শন লাগে। ফি ও জামানত লোড অনুযায়ী ভিন্ন।
খরচসদস্য ফি, জামানত ও মিটারের খরচ লোড ও সংযোগের ধরনভেদে ভিন্ন; সমিতি থেকে লিখিত হিসাব ও রসিদ নিন (যাচাই হবে)
কোথায়বাঁশখালীর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল বা এরিয়া অফিস (কোন সমিতি ও অফিস, যাচাই হবে)
এই গাইডের ফি ও ঠিকানা এখনও যাচাই হয়নি। প্রতিনিধি জোনাল অফিস থেকে তথ্য নিশ্চিত করলে চূড়ান্ত হবে।
যা সাধারণত লাগে
- আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি
- জমি বা বাড়ির মালিকানার কাগজ (খতিয়ান, দলিল বা হোল্ডিং কর রসিদ); ভাড়াটে হলে মালিকের অনুমতিপত্র
- লাইসেন্সধারী ইলেকট্রিশিয়ানের করা ওয়্যারিংয়ের প্রত্যয়ন
- পাশের বাড়ির মিটার বা খুঁটির নম্বর (লাইন কোথা থেকে আসবে, বোঝার জন্য)
ধাপে ধাপে
- ওয়্যারিং করান: লাইসেন্সধারী ইলেকট্রিশিয়ান দিয়ে; আর্থিং ও সার্কিট ব্রেকার যেন থাকে।
- আবেদন: অনলাইনে বা জোনাল অফিসে নির্ধারিত ফর্মে।
- ফি ও জামানত: অফিসের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী ব্যাংকে বা অনলাইনে; রসিদ রাখুন।
- পরিদর্শন: সমিতির লোক এসে ওয়্যারিং দেখবেন।
- মিটার ও সংযোগ: পরিদর্শন ঠিক থাকলে মিটার বসিয়ে সংযোগ দেওয়া হবে।
যে ভুলগুলো এড়াবেন
- “তাড়াতাড়ি করে দেব” বলে দালাল বা লাইনম্যানকে টাকা দেওয়া: সব টাকার রসিদ চাইবেন
- লাইসেন্স ছাড়া ইলেকট্রিশিয়ান: পরিদর্শনে আটকে যেতে পারে, আগুনের ঝুঁকিও থাকে
- অন্যের মিটার থেকে লাইন টানা: বেআইনি ও বিপজ্জনক
বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলে
পল্লী বিদ্যুতের অভিযোগ কেন্দ্রের নম্বর পাবেন সেবা › জরুরি নম্বর পাতায় (যাচাইয়ের পর)।
ফি বা নিয়ম বদলে গেলে আমাদের ফেসবুক পেজে জানান। আমরা যাচাই করে ঠিক করে দেব।